Saturday, September 24, 2011

Juboty Vabier Deher Jala (যুবতী ভাবীর দেহের জ্বালা)


 

যুবতী ভাবীর দেহের জ্বালা

 

 

ারুক ভাইয়ের আমেরিকা যাবার সব কাগজপত্র প্রায় ঠিক হয়ে গেছেকিন্তু হঠা করে সব ভেস্তে যায়এদিকে বয়স হয়ে যাচ্ছে তারতাই পরিবারের সবাই মিলে তাকে পীড়াপীড়ি করলো বিয়ে করার জন্যফারুক বাইয়ের এক কথা তিনি আগে আমেরিকা যাবেন তারপর সবকিছুসবাই বোঝাল আমেরিকা থেকে ফিরে এসে তোর বিয়ের বয়স থাকবে না
অনেক বোঝানোর পর ফারুক ভাই রাজি হল এবং বিয়ের পিড়িতে বসলখুব সুন্দরী সেক্সি খাসা মালযাকে দেখলে যেকোন সামর্থবান পুরুষের ধন লাফালাফি করবেকন্যা লাখে একটাও পাওয়া যায় নাবয়স বিশ কি একুশশরীরের গঠন বেশ চমকারমাই দুটু উচু টান টান ঢিবির মতগায়ের রঙ ফর্সা, চেহারা গোলগাল, উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি
বিয়ের পর তার শরীরের গঠন আরো সুন্দর হতে লাগলরুপ যেন ফুটতে লাগল প্রস্ফুটিত গোলাপের মতফারুক ভাই বউ পেয়ে দারুন খুশি, সুপার গ্লুর মত সারাক্ষন বউএর সাথে লেগে থাকতকিন্তু সেই লেগে থাকা আর বেশি দিন স্থায়ী হল নাপ্রায় সাড়ে চার মাস পর তিনি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমেরিকার পথ পাড়ি দিলেন
ফারুক ভাইয়ের বউ আর্থা আমার চাচাত ভাবী ভাই থাকতে যেমন কলকল ছলছল করত আস্তে আস্তে তা মিলিয়ে যেতে শুরু করলপুরো বাড়িতে দেবর বলতে আমি ই তার একটিআমি ইন্টারমিডিয়েটে পড়িস্বাস্থ্য খুবই ভাল বলা যায়কারন আমি একজন এথলেটফারুক ভাইয়ের অবর্তমানে আমার সাথে বেশি মাখামাখি করলে লোকে খারাপ বলবে ভেবে সে আমার সংগে একটু নিরাপদ দুরত্ব বজায় চলাফেরা করত
কিন্তু মাঝে মাঝে আমার দিকে এমনভাবে তাকাতো আর বাকা ভাবে হাসত তাতে আমার শরীর শিরশির করতএকদিন আমি সান বাধানো ঘাটে খালি গায়ে লুঙ্গি পরে গোসল করছি তখন সে ঘাটে আসলআমার শরীরের দিকে তাকিয়ে সে তার দাঁত দিয়ে তার ঠোট কামড়ে ধরলভাবি একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকল আমার দিকেভাবি এবাড়িতে বউ হায়ে আসার পর আমার মনে একটি সুপ্ত ইচ্ছা হল আমি একদিন ভাবিকে জরিয়ে ধরে চুমু খাবআজ পর্যন্ত আমার ইচ্ছা পুর্ন হয়নিকিন্তু বোধহয় প্রকৃতি কারও ইচ্ছাই যেন অপুর্ন রাখে না
ফারুক ভাইয়ের ছোট বোনের বিয়ের দিন সেই ইচ্ছেটা পুর্নতা পেলগায়ে হলুদের অনুষ্ঠান চলছেবরপক্ষ একটু আগে কন্যাকে হলুদ লাগিয়ে চলে গেছেএখন আমাদের মধ্যে হলুদ ও রঙ মাখামাখিআমি রঙের হাত থেকে বাচার জন্য একটু নিরাপদ দুরত্বে দাঁড়িয়ে আছিহঠা দেখলাম ভাবি আমার দিকে এগিয়ে আসছেহাতে হলুদআমার কাছে এসে বলল, দেবরকে হলুদ দিয়ে দিই, তাড়াতাড়ি বর হবে
ভাবি আমার কপালে ও গালে হলুদ লাগাতে থাকলহলুদ লাগানোর পর যখন রঙ লাগাতে গেল তখন আমি কৃত্রিম জোড়াজোরি করার ভান করে তার হলুদ শারীর নিচে অবস্থান করা স্তন যুগলে আমার হাতের ছোয়া লাগিয়ে দিলামভাবি আমার বুকে একটি হালকা কিল মেরে অসভ্য অসভ্য বলে দৌড়ে পালিয়ে গেলএরপর থেকে যতবারই আমার সাথে ভাবির দেখা হত ভাবি আমাকে ভেংচি কাটত আর হাত দিয়ে কিল দেখাতমনে মনে ভাবছি, আমি পাইলাম, ইহাকে পাইলামহলুদের পর্ব শেষ হবার পর সবাই ঠিক করল বাড়ির পাশের নদীতে সবাই মিলে গোসল করবছেলে মেয়ে বাচ্চা কাচ্চা সবাইআমরা ত্রিশ পয়ত্রিশ জনের একটি দল রওনা হলাম নদীতে গোসল করার উদ্দ্যশ্যেআমি ভাবির পাশ দিয়ে আসার সময় বললাম আমি ডুব দিয়ে তোমার কাছে আসব, তুমি সবার থেকে একটু আলাদা থেকোএবারো তিনি আমাকে ভেংচি কটলেন, বোঝলাম আমার আর্জি কবুল হয়েছে
সাত আট হাত দুরত্ব রেখে ছেলে মেয়েরা নদীতে নামলনদী পাড়ের এক কোনায় হ্যাজাক বাতি জ্বলানো আছে, তাই চারপাশ আলোতে ভরে গেছেআমি দেখলাম মেয়েদের দলের মধ্যে ভাবী আসরের মাধ্যমান হয়ে অবস্থান করছেআমি তার দৃষ্টি আকর্ষন করার চেষ্টা করলামএকসময় সে আমার দিকে তাকালোতাকিয়ে আশেপাশে কি যেন দেখলতারপর একপর্যায়ে জ্বিব বের করে আবার ভেংচি কাটলোসাত রাজার ধন হাতে পেলে মানুষের অবস্থা যেমন হবার কথা আমার ও সেই অবস্থা হলসবাইকে আলাদা করে ভাবী একটি স্থানে চলে এল আর আমি ডুব দিলাম
এক ডুবে পায়ের কাছে চলে এলামআমি ভাবীর ফর্সা পায়ে ঠোট দিয়ে চুমু খেলামতারপর তার দুই পায়ের গোড়ালি হতে হাটু পর্যন্ত চুমু খেলাম, কামড়ালামহালকা পড়পড়ে পশম ভাবীর পা যুগলেসেই পশমের দুই একটি দাঁত দিয়ে ছিড়লাম আর তখুনি বুঝলাম আমার দম শেষ হয়ে আসছেতাকে ছেড়ে যেখানে ছিলাম সেখানে এসে মাথা তুললামপ্রথমেই তাকালাম ভাবীর দিকেএকটি অনুচ্চারিত শব্দ তার মুখ দিয়ে বের হল, বা-ব্বাঅর্থা ডুব দিয়ে যে আমি এতক্ষন থাকতে পারি হয়ত তার বিশ্বাষ হচ্ছে নাআমি একটু রেস্ট নিয়ে তার প্রতি একটি ছোট্ট ইঙ্গিত দিয়ে আবার ডুব দিলামএবার তার কলাগাছের মত ফর্সা উরু নিয়ে খেলা শুরু করলামআমি তার উরুতে হালকা কামড় দিচ্ছি আর হাতাচ্ছিএবার তার উরুর ফাটলে আঙ্গুল দিয়ে নাড়াচাড়া করার ফলে সে তার পা দুটি নাচাতে শুরু করলোএকটু পরে আমি আবার আগের জায়গায় এসে মাথা তুলে শ্বাস নিলামএকটু বিশ্রাম নিয়ে আবার গেলাম ডুব দিয়েএবার তার পদ্মফুলের মত ভোদা নিয়ে কজ করার পালাআমার দমের পরিমান কমে যাবার কারনে তাড়াতাড়ি করার সিদ্ধান্ত নিলামআমার দাঁড়িয়ে থাকা বাড়াটি আমি তার মুখে পুড়ে দিলামএতে ভাবী আমার বাড়াটি মজা কড়ে চুষতে লাগলোজ্বিব দিয়ে কিছুক্ষন ভাবীর সাথে সঙ্গম করলামদ্রুত ফেরার সময় ভাবী আমার বাড়ার মধ্যে আলতো করে দুটি কামড় বসিইয়ে দিলআবার ফিরে এসে ভাবীকে ইঙ্গিত করে বললাম ব্লাউজ খুলে নাক পানির উপরে দিয়ে উপুর করে বসতেভাবী তাই করলআমি আবার গিয়ে ভাবীর সুন্দর মাই দুটি ইচ্ছামত টিপতে থাকলামতার নিপলদুটি মটর দানার মত শক্ত হয়ে গেছেকিছুক্ষন টিপার পর আমি আমার জায়গায় ফিরে আসলামদেখলাম ভাবীও নিজের জায়াগায় ফিরে যাচ্ছে
গোসল শেষে আসার পথে আমাকে আবার ভেংচি কেটে মেয়েদের দলে হারিয়ে গেলবুঝলাম ভালোই কাজ হয়েছেআমাদের দলটি বাড়িতে আসার পথে একসময় ভাবীকে জিজ্ঞেষ করলাম কেমন হয়েছেবলল, ডাকাত কোথাকার, বদমাইশবললাম আজ রাতে বদমাইশি হবে? বলল জানি নামুখ দেখে বুঝলাম আমার চেয়ে ভাবীই বেশি উন্মুখ হয়ে আছেবাড়িতে ফিরে ভাবীকে স্থান ও সময় জানিয়ে দিলামস্থানটি হল গাবতলার ভিটে যেখানে কেউ সচরাচর আসে নাসময় নির্ধারন করলাম রাত তিনটাবলল আমি এত রাতে যেতে পারব নাআমি বললাম তুমি শুধু পেছনের দর্জা দিয়ে বের হয়ে এস আমি নিয়ে যাববলল ঠিক আছে
ঠিক তিনটায় তিনি দর্জা খুলে বের হলেনআমি তাকে নিয়ে চললাম নির্দিষ্ট স্থানেভাবিকে জড়িয়ে ধরলামআস্তে আস্তে আমি ভাবীর পরনের শাড়ি, ব্লাউজ, পেটিকোট সব খুলে ফেললামদু হাতে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে শুরু করলামভাবীও তাই করলএকসময় হাত রাখলাম ভাবীর উচু বুকের উপরতারপর স্তন টিপতে টিপতে হাত নামাতে থাকলাম নাভী হয়ে ভোদার দিকেভোদায় আঙ্গুলি করা শুরু করলামভাবী আমার কামনায় ভেসে যাচ্ছেএক পর্যায়ে ভাবী আমার পরনে তোয়ালে খুলে আমার লৌহদন্ডটিকে তার হাতে নিয়ে মনের আনন্দে চুষতে লাগলআমিও এই ফাকে তার দুধ টিপে যাচ্ছি ইচ্ছামতভাবীকে বললাম, তুমি খুশি? ভাবী বলল, খুশি হব যদি তুমি আমার ভোদা চুষে দাওযেই কথা সেই কাজভাবীকে অর্শেক শোয়া অবস্থায় বসিয়ে দু পা ফাক করে তার ভোদা চুষতে লাগলামকি যে এন অনুভুতি তা ভাষায় প্রকাশ করার মত না, ভোদার কি মিষ্টি মৃদু গন্ধএভাবে প্রায় পাঁচ মিনিট করার পর ভাবী আমাকে বলল, উফঃ মরে যাচ্ছি, আর থাকতে পারছি না, ও আমার চোদনবাজ দেবর আমাকে এবার তুমি চোদা শুরু করআমি ভাবীকে উপুর করে আমার ধন ভাবীর ভোদায় ঢুকিয়ে ঠাপাতে থাকলামভাবী মৃদু চিকার করতে থাকলএভাবে কতক্ষন চোদার পর আমি চি হয়ে শোয়ে পড়ে ভাবীকে বললাম তুমি আমার ধনের উপর বসে ঠাপাতে থাককথামত ভাবী তাই করলআমার ধনটাকে তার ভোদার ভেতর ঢুকিয়ে নিজে নিজেই ঠাপাতে থাকলআমরা দুজনেই তখন সুখের সাগরে ভাসছিআরও কিছুক্ষন পর আমি মাল ঢেলে দিলাম ভাবীর ভোদাতেইভাবীও দেখলাম ক্লান্ত হয়ে আমার বুকে শুয়ে পড়লকিছুক্ষন পরে আমরা যার যার জামাকাপড় ঠিক করে যার যার রুমে গেলাম ঘুমাতে
এভাবেই প্রতিরাতে চলতে লাগল আমাদের কামলীলাভাবী বলে, যতদিন না তোর ভাই আমেরিকা থেকে দেশে ফিরে আসবে ততদিন তোর ভাইয়ের কাজ তুই করবিবলল, প্রয়োজনে যৌনশক্তি বর্ধক ভায়াগ্রা খেয়ে নিবে … … …

 

No comments:

Post a Comment